|
|
|
প্রচ্ছদ । সম্পাদকীয় । কর্মশালা । প্রশিক্ষণ । সংগঠন সংবাদ । অনুসন্ধান । টুকিটাকি |
|
"ছোটবেলায় গণিতকে খুব
ভয় পেতাম, মা-বাবা আমাকে জোড় করে অংক করাতেন ৷ ইংরেজী এবং অংকে বেশি নম্বর
পেতেই হবে - এটাই ছিল মা-বাবার একান্ত প্রত্যাশা ৷ তাই মা-বাবার প্রত্যাশা
পূরণে অংক মুখস্ত করা শুরু করি ৷ কিন্তু অংক যে এত মজার তা আগে বুঝি নি ৷
আজ আমার কাছে মনে হচ্ছে এতদিন গণিত মুখস্ত করে এসে আমি ভুল করেছি ৷ এখন
থেকে গণিতকে বুঝতে চেষ্টা করবো এবং বুঝে গণিত করবো ৷" - অনেকটা ঠিক এভাবেই
অনুভূতির কথা জানালো বারোতোপার অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রী নাবিলা জামান
উর্মি ৷
ইয়ূথের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে
একুশ উদযাপন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-মানচিত্র ইউনিট বালারহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করে ৷ এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল শোক পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কালোব্যাচ পরিধান, প্রভাতফেরী, পুষ্পমাল্য দান, মুক্ত আলোচনা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ৷ এ সকল আয়োজনে তিন শতাধিক লোক অংশগ্রহণ করে ৷ এছাড়াও এ দিনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক, রচনা এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় দুই শতাধিক প্রতিযোগি অংশগ্রহণ করে ৷ উক্ত আয়োজনের শুরুতে শোক পতাকা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মোঃ গফুর আলী এবং সদস্য শাহাজাদ ৷ মুক্ত আলোচনা এবং পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বণিক, বিশেষ অতিথি ছিলেন ফুলবাড়ি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোঃ আব্দুর রহিম, নাওডাঙ্গা বি এন পি'র সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল রহিম এবং নাওডাঙ্গা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আইয়ূব আলী ৷ ইউনিট লিডার মোঃ রেফাজুল আলমের উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণী পর্বে মোট ৪৭ জনকে পুরস্কৃত করা হয় ৷ অনুষ্ঠানটি আয়োজনে যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তারা হলো নাজমূল হুদা, রাসেল মাহমুদ, জনি, আরাফাত-ই-রহমান নীলা, মীরা, মৌসুমী সরকার, মিতু, পিংকী, রিংকী, রুমি, জেবিন, সুবোধ, আদম, সুশান্ত পাল, আঃ রহমান, বিপ্লব, মানিক, কাজল, সাজু, রুবেল মাহমুদ এবং রাজন ৷ |
![]() |
|
প্রচ্ছদ । সম্পাদকীয় । কর্মশালা । প্রশিক্ষণ । সংগঠন সংবাদ । অনুসন্ধান । টুকিটাকি |
|
|
© 2006 The Hunger Project-Bangladesh. All rights reserved. |