| আয় নতুনের ডাক দিয়ে যাই | সংখ্যা-১৫, মে-জুন-২০০৪ |
| উজ্জীবক বার্তা | |
|
তাই সততা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের কষ্টিপাথরে বিচার করে জনগণ যদি সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনে সমর্থ হয়, তবে এই হতাশাক্লিষ্ট জাতির জীবনে আবার নতুন আশা সঞ্চারিত হতে পারে ৷ আর এভাবেই নির্মিত হতে পারে গণতন্ত্রের প্রাথমিক ক্ষেত্র ৷ রচিত হতে পারে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় ৷ |
সুশাসনের জন্য নাগরিক-(সুজন), পৌরসভা নির্বাচন-২০০৪ এবং 'জনগণের মুখোমুখি' দারিদ্র্য, অন্নহীনতা, বেকারত্ব, দুর্নীতি, অধিকারহীনতা, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কপটতায় দুর্বিষহ হয়ে ওঠা জনজীবনের হাজারো সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে ৷ নেতৃত্বহীনতার যে সংকট তৈরী হয়েছে, তার মোকাবেলা শুরু করতে হবে তৃণমূল পর্যায় থেকেই ৷ |
|
নিজের সাফল্য নিজেই রচনা করেছেন হুমায়ন কবীর তিনি এখন উপার্জনক্ষম সফল মানুষ ৷ নিজেকে জয় করার পাশাপাশি এখন গ্রামের অন্যান্যদেরও আয়বৃদ্ধিমূলক এবং সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কাজে জড়িত করছেন হুমায়ন কবীর ৷ হেসাখাল গ্রামের ৯ জনকে নিয়ে সঞ্চয় প্রকল্প গড়ে তুলেছেন ৷ ২০০৩ সালের মার্চ মাসে ৪২,০০০ টাকা দিয়ে ৩ শতাংশ জমি কিনেছেন প্রকল্পের সদস্যরা ৷ লক্ষ্য চাষাবাদ করা এবং ভবিষ্যতে টাকা জমিয়ে এ জমির উপর মার্কেট করা ৷ |
|
রাজশাহীর রেশমা: সাহসী সংগ্রামে অনন্য প্রশিক্ষণের চারটি দিন তাঁর জীবনে সোনালী রোদ নিয়ে এসেছিল ৷ এ দিনগুলোতে তাঁর বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে, নারী হোক কিংবা পুরুষই হোক, ব্যক্তি মানুষ চেষ্টা করলেই অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে পারে ৷ |
|
পাল্টে গেছে পল্লবের জীবনের গতিমুখ.......
উজ্জীবক
প্রশিক্ষণ
থেকে ফিরে পুরনো বন্ধুদের সাথেও বসেছিলেন তিনি
৷ জীবন
পরিবর্তনের আশা তাদের মাঝেও ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন এবং করে চলেছেন এখনও
৷ এলাকার
উজ্জীবকদের সাথে পল্লবের রয়েছে সার্বণিক যোগাযোগ
৷ সম্মিলিত
সামাজিক উদ্যোগগুলোতে পল্লব অংশগ্রহণ করে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে
৷ |
উজ্জীবক ফারুক - প্রবল অটল বিশ্বাস যার নি:শ্বাস-প্রশ্বাসে
'প্রবল অটল বিশ্বাস যার
নি:শ্বাস প্রশ্বাসে / যৌবন যার জীবনের ঢেউ কলতরঙ্গে হাসে |
|
বানিয়াজুরির সাক্ষরতা আন্দোলন ও একজন পারভেজ বাবুল "আমার এই সাক্ষরতা আন্দোলনের পেছনে রয়েছে বায়ান্ন'র ভাষাশহীদ আর একাত্তরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা'- প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা এক চিঠিতে নিজের উদ্যোগের ইতিহাস এভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন পারভেজ বাবুল ৷ |
|
ঘরণীর ঘরকাব্য বর্তমানে 'ঘরণী' প্রতিষ্ঠানটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে ৷ ৬০০০ টাকা দিয়ে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পুঁজি দাঁড়িয়েছে ৬,০০,০০০ টাকা ৷ কেন্দ্রটি থেকে এ পর্যন্ত ১,৩০০ নারী বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষিত হয়ে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন ৷ 'ঘরণী'তে বর্তমানে ৩ জন বেতনভুক্ত কর্মচারী আছেন এবং ৫৪ জন স্বল্পকালীন কাজের ভিত্তিতে নিয়োজিত আছেন ৷ |
|
তারুণ্যদীপ্ত কর্মপ্রবাহ |
এক গুচ্ছ উজ্জ্বল উদ্যোগ |
|
সম্পাদনা |
|
© 2005 The Hunger Project-Bangladesh. All rights reserved. |