দক্ষিনাঞ্চল 

জ্জীবক বার্তা, বর্ষ-, সংখ্যা-২৬, ফেব্রুয়ারী-মার্চ ২০০৬


নাজমা : একজন সফল নারীর জীবনগাথা


তৃণমূলের পশ্চাত্‍পদ সমাজের একজন অগ্রগামী নারী নেতৃত্ব নাজমা বেগম ৷ সমাজ, নারী ও আত্ম-উন্নয়নে নিষ্ঠাবান এই নারীর এগিয়ে যাওয়ার পশ্চাতে রয়েছে একটি সংগ্রামমুখর ইতিহাস ৷ নাজমা বেগমের জন্ম ১৯৬০ সালে ফরিদপুর (বর্তমান রাজবাড়ী) জেলার পাংশা থানায় ৷ জন্মের পর সবার আদর নিয়ে পুতুল খেলার ফুরসত্‍ তার রইলো না বেশি দিন ৷ মাত্র এগার বছরে পুতুলের বিয়ে বিয়ে খেলার বয়সেই বিয়ে হয়ে গেলো নাজমার ৷ কিশোরী বধু নাজমা আর কলেজ পড়ুয়া স্বামী কায়কোবাদ মিলে জীবনকে চেনা ও বোঝার চেষ্টা করলেন ৷ কিছুদিন এভাবে চলার পর দেশে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ ৷ চারিদিকে যুদ্ধের ডাক, স্বামী সাড়া দিলেন দেশ মাতার সেই ডাকে ৷ কিশোরী বধুও তাকে সাহায্য করলেন বিভিন্নভাবে৷ আজ নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাবতে নাজমা বেগম বেশ গর্ব বোধ করেন
 


যুদ্ধের পর স্বামী উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যান জার্মানীতে, আর নাজমা বেগম দুই বছরের কন্যাশিশুসহ বাস করতে থাকেন তার বাবার বাড়িতে
৷ বাবা, মা ও একমাত্র ভাইসহ পাঁচ জনের সংসারের ভার তুলে নিতে হয় নাজমার ছোট কাঁধে, কারণ তার বাবার আর্থিক অবস্থা সেই সময় বিশেষ ভাল ছিল না ৷ এমনিতেই কিশোরী মাতা, তার ওপর যুবক স্বামী যদি বিদেশ গিয়ে ফিরে না আসে- এইরকম একটি অনিশ্চয়তা এবং এর সঙ্গে মেয়েকে মানুষ করবেন কিভাবে এই ভাবনা এবং ভয় কাজ করতো তার মধ্যে ৷ অসহায় বোধ করতেন সেই সময় ৷ ছোটবেলা থেকেই কিছুটা সেলাইয়ের কাজ জানতেন নাজমা ৷ এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েই টিকে থাকার সংগ্রামে একটি যুগ পার করে দেন তিনি

অবশেষে ১৯৮৯ সালের মাঝামাঝি বিদেশ থেকে ফিরে আসেন তার স্বামী
৷ স্বামী দেশে আসায় মনে শক্তি বেড়ে যায়, তৈরি হয় কাজের উদ্যম ৷ ১৯৯৭ সালের জুলাই মাসে মহিলা অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে গড়ে তোলেন 'প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন সমিতি' ৷ সমিতিটি এলাকার মহিলাদের স্বাবলম্বী করার জন্য কাজ করতে থাকে, কিন্তু খুব একটা সফল হয় না ৷ তৃণমূলের নারীদের সমন্বয়ে সমবেত উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষায় কর্মতত্‍পর হয়েও যখন ব্যর্থ হলেন তখন কিছুটা হতাশা তৈরি হয় তার মধ্যে ৷ কিন্তু পথ অনুসন্ধানে তিনি ছিলেন নিরলস ৷ এরকম একটি সময়ে নাজমার সঙ্গে পরিচয় ঘটে রাজবাড়ীর উজ্জীবক বেগম সামসুন্নাহার চৌধুরীর ৷ তার কাছে শুনতে পান 'দি হাঙ্গার প্রজেক্ট' ও 'উজ্জীবক প্রশিক্ষণ'-এর কথা ৷ সামসুন্নাহার চৌধুরীর পরামর্শে ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসের ১৬-১৯ তারিখে রাজবাড়ী জেলার শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত 'দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদশ' এর ১৭তম উজ্জীবক প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করেন ৷ গোটা প্রশিক্ষণ তার ভেতরে নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে দেয় ৷ প্রশিক্ষণের প্রতিটি আলোচনাই ছিলো যেন তার নিজের সম্পর্কে ৷ চার দিন শেষে নাজমা বেগমের নিজেকে মনে হলো আত্মশক্তিতে বলীয়ান অন্যরকম একজন মানুষ

প্রশিক্ষণ থেকে ফিরেই ঝাপিয়ে পড়েন কাজে ৷ এরই মাঝে একই বছরের অক্টোবরে অংশ নেন তৃতীয় ব্যাচের 'অনুঘটক' প্রশিক্ষণে ৷ প্রশিক্ষণের চেতনা এবং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে শক্ত হাতে হাল ধরেন ১৯৯৭ সালে গড়ে তোলা সমিতিটির ৷ 'প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন সমিতি' নতুনভাবে কাজ শুরু করে ৷ সমিতির সদস্য সংখ্যা ৬০ জন, সমিতির বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয় ৷ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন নাজমা বেগম এবং সাধারণ সম্পাদক হন সালমা কোহিনুর ৷ সমিতির উদ্দেশ্য হলো এলাকার মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়ন ঘটানো ৷ তিনি এলাকার মানুষকে আয়মুখী কার্যক্রমে সমৃক্ত করা এবং নিজেকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন স্থানীয় ভাবে ৷ যেমন, মত্‍স্য চাষ, হাঁস-মুরগী পালন, গাভী ও ছাগল পালন, সবজি, নার্সারী, দর্জি বিজ্ঞান, মাতৃস্বাস্থ্য-পুষ্টি, শিশু পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা ইত্যাদি ৷ এই ট্রেনিংগুলোর মধ্যে দিয়ে এলাকায় কাজ করার অনেকগুলো দ্বার তার সামনে খুলে যায় ৷

নাজমা বেগমের নেতৃত্বে সমিতির উদ্যোগে সেলাই, মত্‍স্য, নার্সারি, সবজি, পোল্ট্রিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছেন ৷ দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এলাকার নারী-পুরুষদের নিয়ে এ পর্যন্ত ২০টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ প্রান্তিক মহিলা সমিতির কার্যক্রমের সাথে যুক্ত এলাকার পিছিয়ে থাকা শতাধিক উজ্জীবক নারী-পুরুষ এসব প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন, আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন ৷ নিচে কয়েকজন সফল মানুষের কথা সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হলো:


অলংকারপুর গ্রামের বিউটি উজ্জীবক প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার পর নাজমা বেগমের সাথে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন ৷ দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ গ্রামে একটি সংগঠন গড়ে তুলে সেলাইসহ বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ করে মাসে প্রায় ৫,০০০ টাকা উপার্জন করছেন ৷ একই সাথে শিশুদের বিদ্যালয়গামী করতে কর্মশালা, উঠান বৈঠক পরিচালনা করছেন তিনি ৷

 প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর আলেয়া বেগম ২০০০ সালে 'চন্দনা নারী উন্নয়ন সমিতি' গড়ে তুলে নারীদের নিয়ে আয়মুখী কার্যক্রম শুরু করেন ৷ এখানে বর্তমানে বিভিন্ন পোষাক তৈরি, নক্সা করা, নকশী কাঁথা প্রভৃতি বিভিন্ন হাতের কাজ করা হচ্ছে ৷ এসব কাজের মাধ্যমে আলেয়া বেগমসহ এলাকার একদল নারী আত্মকর্মসংস্থানে সক্ষম হয়েছেন ৷


হুমায়ুনের জীবন অনেকটাই বদলে গেছে ২০০২ সালে উজ্জীবক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর ৷ প্রান্তিক মহিলা সমিতির প্রশিক্ষণ নিয়ে আত্মনির্ভরশীলতার চেতনা কাজে লাগিয়ে তিনি একটি পোল্ট্রি ফার্ম গড়ে তোলেন ৷ বর্তমানে ডিম ও ব্রয়লার মুরগী বিক্রয় করে তার মাসিক আয় হচ্ছে প্রায় ৩,০০০ টাকা ৷


নিজের ছেলে ইকুর সাথে একত্রে প্রশিক্ষণ নেয়ার পর মোঃ ইউনুছ বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত জলাশয়ে মত্‍স্য খামার গড়ে তোলেন ৷ দারিদ্র্য জয় করে বর্তমানে স্বাবলম্বী এই পরিবারের মাসিক আয় প্রায় ৪,০০০ টাকা ৷


নাজমা বেগমের অনুপ্রেরণায় গোপালপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন উজ্জীবক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের পর বাড়ির পাশে নার্সারী করেছেন ৷ একই সাথে তিনি পরিত্যক্ত জলাশয়ে মত্‍স্য চাষ করছেন ৷ বর্তমানে তিনি একজন স্বাবলম্বী মানুষ ৷ তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত ৷


উজ্জীবক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর ইদ্রিস আলী বাবু তার স্ত্রীকেও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করেন ৷ বর্তমানে তারা দু'জন মিলে এলাকার শ্রমিকদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তুলেছেন ৷ তার নেতৃত্বে সংগঠিত শ্রমিকরা নিজেদের ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করছেন ৷

নাজমা বেগম তার নিজ এলাকা নারায়ণপুরকে ক্ষুধামুক্ত করার প্রত্যাশায় কাজ শুরু করেন ১৯৯৯ সাল থেকেই ৷ এই লক্ষ্যে তিনি দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর ১০টি নীতি এবং ৪০ পয়েন্টের আলোকে স্থানীয় পরিকল্পনা করার মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন ৷ এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে সংগঠিত করার মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমি উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সফল করার জন্য তিনি নিয়মিত সাপ্তাহিক উঠান বৈঠক ও মাসিক কর্মশালা পরিচালনা করছেন ৷ এসব কাজের মাধ্যমে সমবেত এলাকাবাসীর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে স্থানীয় সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা হয় ৷ বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা যেমন, স্বাস্থ্য, প্রসূতি স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পুষ্টি প্রভৃতির সমাধানের বিষয়ে স্থানীয় উদ্যোগ নেয়া হয় ৷ এছাড়াও তিনি নারায়ণপুরের দুঃস্থ ও অসহায় নারীদের নিয়ে যৌতুক প্রথা ও বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে উঠান বৈঠক ও কর্মশালা করে যাচ্ছেন ৷ এ কাজে তিনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকেও সম্পৃক্ত করেছেন ৷ এই সকল কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকায় নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে ৷ এদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য উজ্জীবক আজিজুল হক, মহাব্বত হোসেন, আলেয়া বেগম, ইউনুস বিশ্বাস, মোক্তার হোসেন, আজাদ রহমান, হুমায়ুন, মুন্না, মন্টু, শান্তা, সেকেন্দার প্রমুখ এলাকার উন্নয়নে নাজমা বেগমের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ৷

২০০০ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নাজমা পাংশার বিভিন্ন ইউনিয়নে ৪টি ব্যাচের উজ্জীবক প্রশিক্ষণ এবং একটি ব্যাচের ইয়ূথ ভলান্টিয়ার্স ট্রেনিং আয়োজন করেন ৷ এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ চলমান এই ব্যতিক্রমি উন্নয়ন ধারার সাথে যুক্ত হয় ৷ আর্থিক উন্নয়নের পাশাপাশি নাজমা সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পাংশা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে সক্রিয় উজ্জীবকদের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ৷ এখন নারায়ণপুর ইউনিয়নে ঝরে পড়া শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে, অভিভাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে নিয়মিত উঠান বৈঠক করা হচ্ছে, পুষ্টির চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ক্যাম্পেইন ও প্রচারাভিযান হচ্ছে ৷ নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ দূর করার লক্ষ্যে এলাকার নারী-পুরুষদের সংগঠিত করার কাজ করছে উজ্জীবকরা ৷ এছাড়া এলাকায় নারী দিবস, কন্যাশিশু দিবস, রোকেয়া দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালিত হয় তার নেতৃত্বে ৷

নাজমা বেগম নারীদের উন্নয়নে নিবিষ্টভাবে কাজ করতে চান ৷ এ লক্ষ্যে তিনি ২০০৬-এর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর পরিচালনায় 'নারী নেতৃত্ব বিকাশ' শীর্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ৷ প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর এলাকার নারীদের নিয়ে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নারী অধিকার, নারী নির্যাতন রোধ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে তিনি কর্মশালা ও উঠান বৈঠক পরিচালনা করছেন ৷

নাজমা ব্যক্তি জীবনে সুখী ও গর্বিত একজন নারী ৷ তিনি প্রত্যাশা করছেন নিজের এলাকাকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন ৷ তার স্বামী এস এম কায়কোবাদ কুষ্টিয়ার শোমসপুর এ. টি. ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ৷ তিনি একজন উজ্জীবক ৷ ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনে নাজমার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে তার স্বামী একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন ৷ সামাজিক উন্নয়নে একজন নিবিষ্ট নেতৃত্বের ভূমিকা পালনকারী নাজমা এখন উপজেলার অসংখ্য মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব ৷ পাংশাতে সক্রিয় বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ৷

২০০০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নাজমা বেগম দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন ৷ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ তার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে ৷ তিনি আজ শুধু নিজের জন্য ভাবছেন না, সমাজ, দেশ ও দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব নিয়ে ভাবছেন ৷ তিনি মনে করেন তার কাজই তাকে সফল মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ৷ ভবিষ্যতেও তার এ কাজ অব্যহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদী ৷


- কাজী ফাতেমা বর্নালী

 

Previous Article<Index>Next Article


Home  / Feedback / Subscribe

© 2006 The Hunger Project-Bangladesh. All rights reserved.