|
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের দশম জাতীয় সম্মেলন ও দশক পূর্তি উত্সব অনুষ্ঠিত

দেশের ঐতিহ্য আর হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করার দৃপ্ত অঙ্গীকার ঘোষণা করে শেষ হলো ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর দশম জাতীয় সম্মেলন ও দশক পূর্তি উত্সব
৷ গত ২৮-২৯ ডিসেম্বর, ২০০৫ সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক উত্সবমুখর পরিবেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়
৷

সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঁচ শতাধিক মেধাবী ও স্বেচ্ছাব্রতী সংগঠক অংশগ্রহণ করেছে
৷ এছাড়া বেশ কিছু শিক্ষক এবং অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন
৷ প্রথম দিন এই সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খান
৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী, নারী নেত্রী ড. হামিদা হোসেন, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিশিষ্ট রাজনীতিক রুহিন হোসেন প্রিন্স, দশম জাতীয় সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল আলীম শাহ, রাজশাহীর মোহনপুর ইউনিটের সংগঠক কাজল লতা প্রমুখ
৷
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সহ-সভাপতি ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, বিশিষ্ট জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী, গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মুনির হাসানসহ একদল দেশবরেণ্য গণিত বিশেষজ্ঞ উপস্থিত থেকে তাঁদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন
৷

এছাড়া সম্মেলনের বিভিন্ন সময়ে দেশে ও দেশের বাইরের আরো যে সকল ব্যক্তি উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে উত্সাহ-অনুপ্রেরণার সঞ্চার করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, ইন্ডিয়ান হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর কর্মী শ্রী লক্ষ্মী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মুখ্য বার্তা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সরকার, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সামসুন্নাহার, নারী আন্দোলনের কর্মী তাজিমা হোসেন মজুমদার প্রমুখ
৷
স্বাগত বক্তব্যে সম্মেলনের আহ্বায়ক সিলেটের আব্দুল আলীম শাহ্ সংগঠনের জাতীয় সম্মেলন ও দশক পূর্তি অনুষ্ঠানকে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর প্রতিটি সদস্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন উল্লেখ করে বলেন, আমরা সবাই অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার সাথে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছি
৷ সারা দেশ থেকে সংগঠনের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এখানে উপস্থিত হয়েছেন আমাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে
৷ সম্মেলনে সকল সদস্যই নিজ খরচে অংশগ্রহণ করছেন, কারণ এটি আমাদের সকলের প্রাণের সম্মেলন
৷ তিনি দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক কষ্ট স্বীকার করে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার জন্য তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান
৷ একই সাথে তিনি সম্মেলন কমিটির পক্ষ থেকে সম্মেলনে আগত দেশ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
৷
উদ্বোধনী বক্তব্যে আইরিন খান বলেন, আজ এখানে এসে আমি তরুণদের মাঝে নিজের মূল্যবোধের অবস্থানকে খুঁজে পেয়েছি
৷ এখানে সবাই যেন আশার ফেরীওয়ালা
৷ আপনাদের চোখে আমি আলোকময় ভবিষ্যতের আভাস দেখতে পাচ্ছি
৷ বাইরে অন্ধকারাচ্ছন্ন রাজনৈতিক পরিবেশ থাকলেও আপনাদের মতো তরুণরাই পারে জাতিকে এ অবস্থা থেকে মুক্ত করতে
৷ একসাথে একই চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অর্জন সম্ভব
৷ আমার মনে হয় আপনারা শুধু ভবিষ্যতের নেতা নন বর্তমানেরও
৷ তিনি ইতিহাসের বড় বড় পরিবর্তনের উদাহরণ দেখিয়ে বলেন, ইতিহাসের বড় বড় পরিবর্তন এনেছে তরুণরাই
৷ তিনি নিজে ইয়ূথ সদস্যদের এই সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে আন্তরিকভাবে যুক্ত থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন
৷

ড. হামিদা হোসেন বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন
৷ প্রকৃতপক্ষে দেশকে পরিবর্তন করতে চাইলে আগে নিজের পরিবর্তন প্রয়োজন
৷ নিজের এবং প্রতিবেশীর অধিকার নিশ্চিত করতে সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন
৷ ইয়ূথ সদস্যরা এ কাজটিই করছেন জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি
৷ নিজের ভেতরের হতাশাকে অতিক্রম করার প্রেরণা খুঁজে
পেয়েছি ৷ আমি আপনাদেরকে অভিনন্দন জানাই ৷ বিশেষ করে আপনারা ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের মাধ্যমে নিজেরা নিজেদের কাজ করছেন, স্বাধীনভাবে কাজ করছেন, নিজেকে বোঝার চেষ্টা করছেন, নিজেরা একত্র হয়ে একসাথে নিজের কমিউনিটিতে পরিবর্তন আনার জন্য আন্দোলন করার চেষ্টা করছেন ৷ আমি জানি আপনারা আত্মবিশ্বাসী ৷ আর তাই যারা দেশকে ভুল পথে নিয়ে যেতে চাচ্ছে আপনারাই তাদের মোকাবেলা করতে পারবেন ৷
সৈয়দ আবুল মকসুদ তাঁর বক্তব্যে আমাদের ইতিহাসে তরুণদের গৌরবোজ্জল ভূমিকার উল্লেখ করে বলেন, ১৫-৩০ বছর বয়সের মানুষরা একটা জাতিকে যত বেশি দিতে পারে বয়স্ক মানুষেরা তা দিতে পারে না ৷ তরুণ বয়সে আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে সহজেই সকল বাধাকে অতিক্রম করা সম্ভব ৷ কারণ আত্মশক্তিতে বলীয়ান ব্যক্তি অদম্য, সৃষ্টিশীল ৷ তিনি ইয়ূথ সদস্যদের এই প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এদের দ্বারাই একবিংশ শতাব্দিতে গঠিত হবে এমনি এক বাংলাদেশ যে বাংলাদেশ পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ দেশের একটিতে পরিণত হতে পারবে
৷

ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় নি বলে অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন ৷ এই তরুণ প্রজন্ম নিজেদের বিকাশ এবং সামাজিক পরিবর্তনে যে অনবদ্য ভূমিকা রেখে চলেছে তা নিশ্চয়ই আমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ সৃষ্টিকে সম্ভব করে তুলবে ৷ ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের বিজ্ঞান আন্দোলনসহ কর্মশালা, প্রচারাভিযান, প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি কর্মসূচি সফলতার সাথে পরিচালনার জন্য তিনি ইয়ূথ সদস্যদেরকে অভিনন্দন জানান ৷ তিনি আরও বলেন, তোমাদেরকে দেখে আশা হয়, ভরসা হয়, গর্ব হয় ৷ হয়তো তোমাদের মতো একঝাঁক নেতৃত্বের মাধ্যমেই এদেশটা বাসের যোগ্য হবে এবং এ দেশটাকে স্বাধীন করার জন্য আমাদের ভাই-বোনরা যেভাবে অকাতরে প্রাণ দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে, আত্মত্যাগ করেছে সেটা সার্থক হবে ৷
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী তাঁর আলোচনায় বলেন, দেশের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য প্রকৃতপক্ষে কোন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নেই ৷ এর ফলেই শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ৷ বরাবরই শিক্ষা নিয়ে ওপর থেকে চিন্তা-ভাবনাকে চাপিয়ে দেয়া হয় ৷ শিক্ষার সাথে গভীরভাবে যারা সম্পৃক্ত তাদের মতামত নেওয়া হয় না ৷ দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করে শিক্ষা ক্ষেত্রে পরিবর্তন নিয়ে আসা দরকার ৷ তিনি ইয়ূথ সদস্যদের নিজের এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য অভিনন্দিত করেন ৷
দ্বিতীয় দিনের গণিতের আলোচনায় বিপুল আগ্রহ ও উত্সাহ লক্ষ করা যায় সকলের মনে ৷ এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সহ-সভাপতি ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মুনির হাসান ৷ আলোচনার পর্ব শেষে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের নেতৃত্বে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত গণিত অলিম্পিয়াডের আয়োজকদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা শোনা হয় ৷ এছাড়া একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয় ৷ এ পর্বে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন প্রশ্ন করেন ৷ উপস্থিত গণিত বিশেষজ্ঞরা সে সকল প্রশ্নের উত্তর দেন ৷ আয়োজনটি পরিচালনা
করেন প্রফেসর মুনির হাসান ৷
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ছেলে-মেয়েই তাদের মেধা এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সারা পৃথিবীকে জয় করতে পারে ৷ তাদের জন্য শুধু প্রয়োজন এগিয়ে যাবার পথ তৈরি করে দেয়া, তাদেরকে অনুপ্রাণিত করা ৷ তিনি বলেন, গণিত উত্সবের মাধ্যমে আমরা দেশের নানা প্রান্তের ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার ক্ষেত্র তৈরির চেষ্টা করছি ৷ তিনি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের গণিত উত্সবকে গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগের ভূয়সি প্রশংসা করেন ৷
দশম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ৷ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সিলেট বিভাগ এবং চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ, রংপুর ৷ বিতর্কের বিষয় ছিল "কর্মবিমুখতা আমাদের দারিদ্র্যের মূল কারণ"৷ বিষয়ের পক্ষে অবস্থান নেয় রংপুর এবং বিপক্ষে সিলেট দলের অংশগ্রহণকারীরা ৷ রংপুর দলের বক্তারা ছিলেন, মুহাসিনুর রহমান সুমন, সৈয়দ আপেল মাহমুদ ও হাসানুর রহমান হাসান এবং সিলেট দলে সৈয়দ আব্দুল লতিফ, জাহানারা সুমি এবং আলী আযম চৌধুরী ৷ প্রতিযোগিতায় মডারেটর হিসেবে ছিলেন, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার মডারেটর হাসান আহম্মেদ চৌধুরী কিরণ ৷ এছাড়া বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের অগ্রসর সদস্য বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রভাষক বজলুর রহমান, ডাঃ নাদিম আহম্মেদ শাহ, আবদুল্লাহ আল মামুন এবং মাজেদুল ইসলাম মাজেদ ৷ বিতর্কে বিজয়ী হয় সিলেট বিভাগ ৷ তবে রংপুর থেকে শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় ৷ বিতর্ক প্রতিযোগিতা উপস্থাপনা ও পুরো প্রতিযোগিতার সমন্বয়নের দায়িত্ব পালন করেন দশম জাতীয় সম্মেলন কমিটির সদস্য এবং ইয়ূথ একটিভিস্ট মোঃ জামিল আক্তার ৷ বিতর্কের পর শুরু হয় উন্মুক্ত আলোচনা এবং মতবিনিময় পর্ব ৷ ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক সকলেই অংশগ্রহণ করেন এ পর্বে ৷ এছাড়া অনুসন্ধান, ত্রিভুবন, কুইজ প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা ইত্যাদি পর্ব ছিল সত্যিকার অর্থেই দৃষ্টি আকর্ষণ করার মত এবং শিক্ষণীয় ৷

অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অরূপ চন্দ্র সাহাকে আহ্বায়ক নির্বাচিত করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট ১১তম জাতীয় সম্মেলন কমিটি ঘোষণা করা হয় ৷ এছাড়া স্বেচ্ছাব্রতী আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেবার উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরামও গঠন করা হয় ৷ এ কমিটির ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেটর নির্বাচন করা হয় তহুরুল হাসান টুটুলকে ৷

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের এই সম্মেলনে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ খরচে অংশগ্রহণ করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ৷ সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীসহ সকলের মনে উচ্ছাস ও স্বতঃস্ফূর্ততা ছিল চোখে পড়ার মত ৷ প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের নেতৃত্ব, আন্তরিকতা ও সিদ্ধান্তগ্রহণ ছিল
লক্ষ্য করার মত বিষয় ৷ সম্মেলন আয়োজনের কিছু সীমাবদ্ধতা ও কষ্টকে তারা সানন্দে মেনে নিয়েছে ৷ সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সম্মেলন যেন সত্যিকার অর্থেই এক পরিপূর্ণ ভালোবাসার মিলনমেলায় পরিণত হয় ৷ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে রাজশাহীর কাজল লতা তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে যথার্থই বলেছিলেন, পৃথিবীর সব আনন্দ যেন এই মুহূর্তে আমার জন্য ৷ আমি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছি ৷ তাই আমি নিজের পাশাপাশি এখন অন্যদেরকেও আলোকিত করে তুলতে চাই ৷
- বিধান চন্দ্র পাল
|