কবিরাজপুর ইউনিয়ন :
উত্কর্ষ সাধনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এক জনপদ

আয়বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম
উজ্জীবক প্রশিক্ষণ নেয়ার পর কবিরাজপুর ইউনিয়নে প্রত্যেকেই কিছু না কিছু করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে
৷ এখানে কিছু একক উদ্যোগের চিত্র তুলে ধরা হলো -
| ক্রম | উদ্যোক্তার নাম | উদ্যোগের নাম | উদ্যোগ শুরুর সময় | মোট বিনিয়োগ | মুনাফা / প্রত্যাশিত মুনাফা |
| ১ | মো: হারুনুর রশীদ | বনায়ন/নার্সারি | মার্চ ২০০২ সাল | ১০,৬০০/ টাকা | বছরে ৩০,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ২ | খালেদা আক্তার | শাক-শবজি চাষ | আগস্ট ২০০২ সাল | ৬৫০/০০ টাকা | বছরে ২,৪০০/০০ টাকা মুনাফা |
| ৩ | আক্কাস হাওলাদার | শবজি চাষ | সেপ্টেম্বর ২০০২ সাল | ৫০০/০০ টাকা | বছরে ২,৪০০/ টাকা মুনাফা |
| ৪ | মো: সালাউদ্দিন | কৃষি খামার | জানুয়ারি ২০০২ | ১৫,০০০/০০ টাকা | বছরে ৩৫,০০০/০০ টাকা |
| ৫ | আকলিমা আক্তার | শবজি চাষ | মার্চ ২০০২ সাল | ১,০০০/ টাকা | বছরে ৫,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ৬ | মোছা. বিলকিছ | হাঁস-মুরগীর পালন | ডিসেম্বর ২০০২ সাল | ১,৫৫০/ টাকা | বছরে ৪,৫০০/ টাকা মুনাফা |
| ৭ | মো: আবদুর রব | মুরগীর খামার | মার্চ ২০০২ সাল | ৬,২০০/ টাকা | বছরে ১৫,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ৮ | কাওসার মীর | মুরগীর খামার | জুলাই ২০০১ সাল | ৫,২০০/ টাকা | বছরে ২০,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ৯ | বিউটি আক্তার | মুরগীর খামার | জানুয়ারি ২০০২ সাল | ৮,০৫০/ টাকা | বছরে ৩০,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১০ | সালমা আক্তার | হাঁস-মুরগীর খামার | জুলাই ২০০২ সাল | ১,২৬০/ টাকা | বছরে ৪,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১১ | মো: হারুনুর রশীদ | মাছ চাষ | জুলাই ২০০১ সাল | ১২,৫০০/ টাকা | বছরে ৩০,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১২ | রিমা আক্তার | মাছ চাষ | জানুয়ারি ২০০২ | ৫৫০/০০ টাকা | বছরে ৪,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৩ | রেবেকা আক্তার | মাছ চাষ | জানুয়ারি ২০০২ | ১,১০০/০০ টাকা | বছরে ৫,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৪ | জাকির হোসেন | মাছ চাষ | জানুয়ারি ২০০২ | ৩,২০০/০০ টাকা | বছরে ১০,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৫ | সেলিনা বেগম | সেলাই | জুলাই ২০০২ | ২,০৫০/০০ টাকা | বছরে ৭,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৬ | মাহমুদা | সেলাই | জানুয়ারি ২০০২ | ৩,০৫০/০০ টাকা | বছরে ১২,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৭ | কহিনুর | সেলাই | এপ্রিল ২০০২ | ২,৫০০/০০ টাকা | বছরে ১২,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৮ | রেশমা | সেলাই | জানুয়ারি ২০০২ | ৩,১৫০/০০ টাকা | বছরে ১৮,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ১৯ | চায়না আক্তার | সেলাই | জুলাই ২০০২ | ২,৫৫০/০০ টাকা | বছরে ১২,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ২০ | মাকসুদা বেগম | সেলাই ও হাতের কাজ | জুলাই ২০০১ | ১০,৪০০/০০ টাকা | বছরে ২৭,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ২১ | শিল্পী আক্তার | নার্সারী | জুলাই ২০০২ | ১,৫০০/০০ টাকা | বছরে ৫,০০০/ টাকা মুনাফা |
| ২২ | আঁখি আক্তার | নার্সারি | জুলাই ২০০২ | ১,৪০০/০০ টাকা |
বছরে ৪,০০০/ টাকা মুনাফা
|
| ২৩ | ময়েন উদ্দিন | নার্সারি | জানুয়ারি ২০০২ | ৬,৩০০/০০ টাকা | বছরে ২৫,০০০/ টাকা মুনাফা |
যৌথ উদ্যোগ
কবিরাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ সংগঠনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে একাধিক আয়মুখী প্রকল্প
৷ একক উদ্যোগের পাশাপাশি এখানে স্বল্পবিত্তের লোকেরা যৌথায়নের মাধ্যমে পুঁজি বিনিয়োগ করে সম্মিলিত ও ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন
৷
কবিরাজপুর গ্রামের সালাহউদ্দিনসহ ৫ জন পুরুষ মিলে গড়ে তুলেছেন কবিরাজপুর নার্সারী প্রকল্প
৷ ২০০২ এর অগাস্টে প্রত্যেক সদস্য ৫০০ টাকা করে মোট ২,৫০০ টাকা বিনিয়োগ করেন
৷ এ প্রকল্প থেকে বছরে ৩৬,০০০ টাকার মুনাফা আশা করছেন তাঁরা
৷ পাশাপাশি পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্পটিকে আরো বড় করার
৷
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জমি লিজ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণদি গ্রামের ৪ জন নারী এবং ৬ জন পুরুষ মিলে গড়ে তুলেছেন শ্রীকৃষ্ণদি বনায়ন প্রকল্প
৷ ২০০২ এর এপ্রিলে প্রত্যেক সদস্য ২০০ টাকা হারে মোট ২,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেন এ প্রকল্পে
৷ যা থেকে বছরে ১,০০,০০০ টাকার মুনাফা আশা করছেন তাঁরা
৷
মহেন্দ্রদি গ্রামের ১০ জন নারী এবং ১৫ জন পুরুষ মিলে গড়ে তুলেছেন মহেন্দ্র
দি মত্স্য প্রকল্প
৷ ২০০২ এর জানুয়ারিতে প্রত্যেক সদস্য ২০০ টাকা হারে মোট ৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেন
৷ এ প্রকল্প থেকে বছরে ২৫,০০০ টাকার মুনাফা আশা করছেন তাঁরা
৷
বিশ্বম্বরদি গ্রামের ৫ জন পুরুষ এবং ১৫ জন নারী মিলে গড়ে তুলেছেন মৌসুমী শবজি চাষ প্রকল্প
৷ ২০০২-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যেক সদস্য ১৫০ টাকা হারে মোট ৩,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেন
৷ এ প্রকল্প থেকে বছরে ২৫,০০০ টাকার মুনাফা আশা করছেন তাঁরা
৷
কবিরাজপুর গ্রামের ২৫ জন নারী মিলে গড়ে তুলেছেন তৈরী পোষাক বিক্রয় কেন্দ্র
৷ ২০০২ এর অগাস্টে প্রত্যেক সদস্য ২০০ টাকা হারে ৭,৫০০ টাকা বিনিয়োগ করেন এ যৌথ উদ্যোগে
৷ এ প্রকল্প থেকে বছরে ২০,০০০ টাকার মুনাফা আশা করছেন তাঁরা
৷
শিক্ষার প্রসার
আয়ের সংস্থানের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করার পাশাপাশি উজ্জীবকগণ হাতে নেন শিক্ষা প্রসারের কার্যক্রম
৷ ২০০২-এর জানুয়ারিতে তারা এলাকায় একটি জরিপ চালান
৷ জরিপের মাধ্যমে
নির্ধারণ করা হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত শিশুর সংখ্যা
৷ ২০০৪ সালের মধ্যে এদের সবাইকে স্কুলে পাঠাবার লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ
শুরু হয়
৷ প্রতিটি গ্রামে স্থানীয় অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কর্মশালা করে তাদের বোঝানো হয় শিক্ষার গুরুত্ব
৷ এলাকার সকল শিশুকে বিদ্যালয়গামী করতে পাড়াভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছেন - উজ্জীবক মাকসুদা, রুমা, বিউটি, সাবিনাসহ অনেকে
৷ শিক্ষা প্রসারে পরিচালিত এসব কর্মকাণ্ডের সুফল এরই মধ্যে পাওয়া যেতে
শুরু করেছে
৷ শিশুদের
স্কুলে যাওয়ার হার ক্রমাগতভাবে বাড়ছে
৷ যেখানে ২০০২ সালে বিদ্যালয়গামী শিশুর সংখ্যা ছিলো দু'হাজারের কাছাকাছি, সেখানে ২০০৩ সালে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার দুই শত জনে
৷
উজ্জীবকগণ দায়িত্ব নিয়ে বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রমকেও গতিশীল করেছেন
৷ বর্তমানে টিএলএম-এর মাধ্যমে সার্বিক সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশ
৷ বাকি ১০ শতাংশ পূরণের জন্য টিএলএম-এর কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও তারা কয়েকটি নৈশ বিদ্যালয় চালু রেখেছেন
৷
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ছাত্র-ছাত্রীদের সম্পৃক্তকরণ:
কবিরাজপুর ইউনিয়নের ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে
৷ ইতিমধ্যে এলাকার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের ইউনিট গঠিত হয়েছে
৷ ইউনিটের সদস্যরা অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের সহায়তায় এলাকায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে
৷
ইউনিয়নের কাঁচাবালি, শ্রীকৃষ্ণদি, মহেন্দ্রদি, কবিরাজপুর, কিশোরদিয়া, রাজারাম,
মুজরাইকান্দি, নিলাম্ব্বরদি, ষোলপুর, কাশিমনগর, জুগারদিয়া ও বিশ্রামবরান্দি গ্রামে আর্সেনিক, পুষ্টি, আয়োডিন, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার, যৌতুকের ভয়াবহতা, জন্ম নিবন্ধীকরণ, পলিথিন বর্জন ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত প্রচারাভিযান চলছে
৷
নারীর ক্ষমতায়ন
উজ্জীবক প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বিপরীতে সমান দায়িত্বের ভিত্তিতে নারী-পুরুষ একযোগে ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
৷ কবিরাজপুরের নারীরা এখন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এবং তাঁরা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ
৷ নারীর ক্ষমতায়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়নে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে
৷
এখানকার নারীদের অপুষ্টি দূর করার চেষ্টা চলছে
৷ তাঁরা উত্পাদনে ভূমিকা রাখছেন
৷ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও যৌতুক বন্ধে চলছে প্রচারাভিযান
৷ এসকল বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উজ্জীবকগণ এবং গ্রামবাসী প্রতি বছর "জাতীয় কন্যাশিশু
দিবস" ও "আন্তর্জাতিক নারী দিবস" গুরুত্ব দিয়ে পালন করেন
৷
প্রায় ৪০ জন নারী সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন আয় রোজগার করছেন
৷ পাশাপাশি তাঁরা গ্রামের দরিদ্র মহিলাদেরকেও বিনা পারিশ্রমিকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন
৷ কবিরাজপুরে গড়ে ওঠা সংগঠনগুলোর বেশির ভাগই নারী সংগঠন আর উজ্জীবকদের মধ্যে ৮০ ভাগই নারী
৷
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা
স্থানীয় জনগণ, স্বাস্থ্যকর্মী ও উজ্জীবকদের সমন্বিত উদ্যোগে পুরো ইউনিয়নের ২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের ১০০ ভাগকেই টিকা দেওয়া, 'ভিটামিন এ' ক্যাপসুল ও 'পোলিও টীকা' খাওয়ানো সম্ভব হয়েছে
৷ পুষ্টির চাহিদা মেটাতে উজ্জীবকদের প্রচেষ্টায় ২০০ পরিবারে শাক-শবজির চাষ
শুরু হয়েছে
৷ পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও গর্ভবতী মায়েদের যত্ন বিষয়ক উঠান বৈঠক ও কর্মশালা হচ্ছে নিয়মিতভাবে
৷ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এ বছর শিশুদের স্বাস্থ্য কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
৷
পরিবারগুলোতে জন্মনিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে ৷ ১৯৯৮ সালে শতকরা ৭০ ভাগ, ২০০১ সালে শতকরা ৭৮ ভাগ এবং ২০০২ সালে শতকরা ৮১ ভাগ সক্ষম দম্পতি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন
৷
স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও নিরাপদ পানি
ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার এবং এ ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ
শুরু হয়েছে
৷ উজ্জীবক এবং স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এখন শতকরা ৮৫ ভাগ পরিবার স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করছে
৷ প্রায় ৩,০০০ পরিবার অধ্যুষিত এই ইউনিয়নে বিগত কয়েক বছরে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার বেড়েছে নিম্নোক্ত হারে -
|
সাল |
স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা
|
| ১৯৯৮ | ৩৫% |
| ১৯৯৯ | ৪২% |
| ২০০০ | ৫০% |
| ২০০১ | ৬৭% |
| ২০০২ | ৮৫% |
বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১৬ জন উজ্জীবক সমগ্র ইউনিয়নে টিউবওয়েলের আর্সেনিক পরীক্ষা করে মানুষকে নিরাপদ পানি পান করতে উদ্ধুদ্ধ করেছেন
৷ থানা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহায়তায় প্রতিটি টিউবওয়েলে আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়েছে
৷ আয়োডিন লবণের উপর প্রচারাভিযান চালানোর মাধ্যমে আয়োডিন লবণ ব্যবহারকারী পরিবারের সংখ্যা দুই হাজার একশ থেকে তিন হাজারে উন্নীত হয়েছে মাত্র এক বছরের মধ্যে
৷
ব্যতিক্রমী
ইউনিয়ন পরিষদ
কবিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে ব্যতিক্রমী ও অনুকরণীয় এক ধারায়
৷ গত ইউপি নির্বাচনে যে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তাঁরা সকলেই ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একসাথে বসেন এবং পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সব ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন
৷ বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম দৃপ্তকন্ঠে বলেন, "একই সাথে কাজ করতে কোনো অসুবিধা হয় না বরং আমরা অনেক বেশি শক্তি নিয়ে কাজ করতে পারি"
৷ ব্যাপারটা আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্যও শিক্ষণীয় হতে পারে
৷
আর একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার ও জানা গেলো এখানে ঘুরে
৷ এলাকায় কোন চোর-ডাকাত নেই
৷ ইউপি চেয়ারম্যান জানালেন, আমরা প্রথমে চিহ্নিত চোর-ডাকাতদের নিয়ে বসলাম, "তাদেরকে বোঝালাম যে, আপনারা এই ধরনের কাজ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন
৷ আমরা আপনাদের সহায়তা করবো
৷ এভাবে কয়েকজন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে
৷ বাকি যারা আসতে পারেনি বা চায়নি তাদেরকে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাড়িয়েছি"
৷
নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন ভিত্তিক গণজাগরণ গড়ে তুলতে কবিরাজপুর
ইউনিয়ন অত্যন্ত সক্রিয়
৷ ইউনিয়ন পরিষদের গতানুগতিক ও ছক বাঁধা কার্যক্রমের বাইরে কবিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চর্চায় উদাহরণ সৃষ্টি করেছে
৷ তাঁরা জনসমক্ষে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট ঘোষণা করেছেন
৷ ইউনিয়ন পরিষদকে ঘিরে আজ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে
৷ আর সেই আশাকে কেন্দ্র করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আর জনগণের মিলিত উন্নয়ন প্রচেষ্টায় কবিরাজপুরে উন্মোচিত হয়েছে সাফল্য ও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
৷ সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়নবাসীর ঘর নির্মাণ, নার্সারী স্থাপনে উজ্জীবকরা সহায়তা করেছে
৷ বীজ বিতরণ করেছে যাতে আবার ফুলে ফলে ভরে ওঠে ইউনিয়ন
৷
|
© 2005 The Hunger Project-Bangladesh. All rights reserved. |